প্রধানমন্ত্রী : জানি না ফের ক্ষমতায় আসতে পারবো কি না

টানা দুই মেয়াদে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিবিদদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, সামনে নির্বাচন জানি না ফের ক্ষমতায় আসতে পারবো কি না।

যদি আসি তো ভালো। আর যদি না আসতে পারি আপনাদের কাছে আমার একটা অনুরোধ দেশের উন্নয়নের ধারাটা অব্যাহত রাখবেন। খাদ্যের জন্য আর যেন ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিদেশিদের দ্বারস্থ না হতে হয়।

শনিবার সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে আয়োজিত ষষ্ঠ জাতীয় কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষি উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা লাভের পর অল্প সময়ের মধ্যে জাতির পিতা এ দেশকে গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু তার নেওয়া সব উন্নয়ন পরিকল্পনা বন্ধ করে দেয় জিয়াউর রহমান ও তৎপরবর্তী (হুসেইন মুহম্মদ) এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীদের উদ্দেশ্যই ছিল এদেশের মানুষকে শোষণ করা। এদেশের মানুষ ভিক্ষা করবে, এটাই চেয়েছিল ক্ষমতা দখলকারীরা।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর এদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে কৃষির উন্নয়নে নানা প্রকল্প-পদক্ষেপ গ্রহণ করে। জমির সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। অর্থনৈতিকভাবে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ।

বিএনপি যখন সরকারে ছিল, সারের জন্য কৃষকদের ধরনা দিতে হয়েছে। গুলি খেয়ে প্রাণ দিতে হয়েছে। কিন্তু এখন সারের জন্য ধরনাও দিতে হয় না। সারই কৃষকের হাতের মুঠোয় পৌঁছে যায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তিন দফায় সারের দাম কমিয়েছে। বর্গাচাষিদের আগে ঋণ দেওয়া হতো না। আমরা তাদের জন্যও ঋণের ব্যবস্থা করে দেই। কৃষককে যেন ব্যাংকে আসতে না হয়, বরং ব্যাংকই কৃষকের দ্বারে গিয়ে তাকে ঋণ পৌঁছে দেয়, সেই ব্যবস্থাও করেছি।

দেশ এগিয়ে যাক- এটাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। নিজেদের উৎপাদিত পণ্য দিয়েই দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে আপদকালের জন্য খাদ্য মজুদ রাখতে হবে।






Related News

  • কে খায় ইবির হলের টাকা…
  • ‘প্রধানমন্ত্রীর’ প্রস্তাব রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ‘সেফ জোন’সহ ৩
  • রাষ্ট্রপতি : যাদের কথা-কাজে মিল আছে, তাদের ভোট দিন
  • প্রধানমন্ত্রী : ঢাকার চারপাশে এলিভেটেড রিং রোড হবে
  • প্রধানমন্ত্রী : স্কুল থেকেই শেখানো উচিত ট্রাফিক নিয়ম
  • আরো গভীর হলো বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক
  • মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ভাই-বোনও পাবেন
  • যেকোনো দিন তফসিল ৩০ অক্টোবরের পর