বেগম খালেদা জিয়া চতুর্থবারের ঈদ কারাগারে

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চতুর্থবারের মতো ঈদ করতে হবে কারাগারেই।  এর আগে ১/১১ সরকারের সময় রোজার ঈদ ও কোরবানির ঈদ কেটেছিল তার সংসদ ভবন এলাকার সাব জেলে।

৭৩ বছর বয়সী বিএনপি নেত্রী দুর্নীতির মামলায় দণ্ড পেয়ে গত ফ্রেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে নাজিম উদ্দীন রোডের পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী আছেন তিনি। এর আগে কারাগারে তার পাশের রুমেই দুই ঈদ কাটিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঈদ-উল-ফিতরের সময়ও কারাগারে ছিলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। পরিবার-পরিজন ছাড়াই তাকে সেই ঈদ কাটাতে হয়।

এবার নিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেত্রীর কারাগারে ঈদ হবে ৪র্থ বার। এর আগে ১/১১ সরকারের সময় রোজা এবং কুরবানির ঈদ কাটে সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত সাব-জেলে।

ওই সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাসভবন থেকে গ্রেফতারের পর সাব-জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৩৭২ দিন আটক থেকে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি মুক্তি পান।

খালেদা জিয়ার কারা জীবনের প্রথম রোজার ঈদ কাটাতে হয় ২০০৭ সালের ১৪ অক্টোবর। একই বছরের সালের ২১ ডিসেম্বর কোরবানির ঈদও তাকে কাটাতে হয় ওই সাব জেলেই।

১/১১ এর সময় তিনি অভিযুক্ত হয়ে সাব-জেলে কাটালেও সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ঈদ করেন এবারই প্রথম। চলতি বছরের খালেদা জিয়ার রোজার ঈদ কেটেছে নাজিমউদ্দীন রোডের কারাগারে। এবারের ঈদেও তাকে সেই কারাগারেই থাকতে হবে।

এ ব্যাপারে কারাগারে এটাই খালেদা জিয়ার প্রথম ঈদ নয় জানিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এর আগেও তিনি সংসদ ভবন এলাকার সাব-জেলে দুইবার ঈদ পালন করেছেন। এবার রোজার ঈদেও পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদ করেছেন।

দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, ঈদের দিন পরিবারের সদস্যরা কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। এছাড়াও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা ঈদের নামাজের পর কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন তার সঙ্গে দেখা করার জন্য এরই মধ্যে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কারাগারে গিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেন। ওই রায়ের পর থেকেই খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দীন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক আছেন।

পরে খালেদা জিয়া উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করলে তাকে অর্ন্তবর্তী জামিন দেন মঞ্জুর করেন আদালত। তবে আরো কয়েকটি মামলায় গ্রেফতার দেখানোয় তিনি মুক্তি পাননি।






Related News

  • প্রধানমন্ত্রীকে ফখরুল : বিশ্বনেতারা চাইলে কী ক্ষমতায় থাকা যায়
  • চিকিৎসার প্রস্তুতি শুরু খালেদা জিয়ার
  • মওদুদ আহমদ : এক মাসের মধ্যেই রাজনীতিতে পরিবর্তন আসবে
  • কাদের বললেন,এটা কি মামা বাড়ির আবদার
  • প্রতীকী অনশন বিএনপির খালেদার মুক্তির দাবিতে
  • মওদুদ : আন্দোলনের মাধ্যমেই কারামুক্ত করবো খালেদা জিয়াকে
  • আজ খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রিটের শুনানি
  • আ. লীগের শোকজ : ২ কেন্দ্রীয় নেতা, ৩ এমপিসহ ১৪ নেতাকে